জানি, পতনের দরজা দিয়েই শুরু হয় চিরকালীন নবউত্থান–বেঁচে থাকার নামে কেবল পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ভরাট। সময়ের চৌরঙ্গী ঘাটে বেহুদাই ফেরি করি রঙিন মলাট। কবিতার হাইটে যখন আর কিচ্ছু দেখি না; তখন আবার অস্তিত্ব সংকটে নিমজ্জিত হই। লীন হয়ে যাই কারুকার্য খচিত হস্তকলায়। শুধু কবিতা দিয়েই কবর দিতে চাই একক বিস্তার, পৃথিবীর আধিপত্য।
চৈতী রাতের জোছনায় উপচে উঠে বোহেমিয়ান সমুদ্রজল। আয়ুষকালে জমা হয় বেদনার খাতা। উড়িয়ে দেওয়া কথারা ফুরালে বেড়ে যায় ক্ষত।তবুও বারবার ভুল করি মুদ্রানীতি,
কথারা হেরফের হয়।
১ Comment
চমৎকার, সত্যি চমৎকার!