তবুও বৃষ্টি আসুক
বৃষ্টি নামলেই কেন যেন খারাপ লাগে।যে পাহাড়টা দেখতে আমার
ভালো লাগে সে পাহাড়টা ভিজে বিষন্ন হলে আমার মন ভিmiami hurricanes jersey Iowa State Football Uniforms Iowa State Football Uniforms deuce vaughn jersey penn state jersey colleges in new jersey deuce vaughn jersey fsu jersey penn state jersey colleges in new jersey deuce vaughn jersey oregon football jerseys purdy jersey Ohio State Team Jersey fsu jersey জে যায়।
বৃষ্টি বিষয়টাই কেমন যেন
একটা বিষন্নতা লেপ্টে থাকে
বৃষ্টি নামলে দূরাগত মানুষগুলো
যারা স্মৃতির খিড়কীর প্রথম সারিতে তারা যেন কেন ফিরে আসে-red-gricciplac.org mads nørgaard taske teplakova suprava panska stenyobyvaci.cz saralilphoto.com mads nørgaard taske tutobon.com tutobon.com panske tricka dymytr povlečení teplakova suprava panska dymytr povlečení saralilphoto.com panske tricka stenyobyvaci.cz
বৃষ্টি এলেই ভেজাকাকের চিৎকার আর পথে থাকা
পাথরের মতো মাflorida state football jersey detroit lions jersey,green bay packers jersey,eagles kelly green jersey,jersey san francisco 49ers fsu jersey colleges in new jersey College Football Jerseys aiyuk jersey custom made football jerseys aiyuk jersey ohio state jersey penn state jersey asu jersey drew allar jersey brandon aiyuk jersey florida state football jersey brock purdy jersey নুষগুলোর কথা মনে পড়ে
ফুল, পাতা, বৃক্ষ ভিজে জল গড়িয়ে পড়া দেখে ভীষণ খারাপ লাগে
আমার বোনেদের কথা বপশি মনে পড়ে।আমি বেড়িয়ে আসার সময়
ওদের চোখভেজা কাতরতা আমাকে কষ্ট দেয়।
তবু বৃষ্টি আসুক। যে আসার সে আসবে।তোমার তিল, গালের টোল ভিজে বৃষ্টি আসুক
একটা জীবন-একটা মৌসুম না হয় কষ্টে কষ্টেই কেটে যাবে।
তোমার ছায়াগুলি
টিএসসির মোড়ে গিয়ে দেখি সেই জয়গাটায় তোমার কতগুলো ছায়া পড়ে আছে।
কতগুলো টিপ, ভাঙা চুড়ি পুরানো হয়ে আছে।তবু মিলিয়ে যায়নি।
আমি যেতেই ঘাসের ক্যাফেটা হেসে উঠলো।
ইউক্যালিপটাস দুটো হেঁটে আসতে আসতে এক থোকা পেলব রোদ্দুর এসে দাঁড়ালো।
বিকেলে সোনালী রোদটুকু তোমার অবয়বকে বদলে দিতো জ্বলে উঠতো তিল,
দুলে উঠতো চুলের স্বভাব।
যেখানটায় তুমি বসতে সেখানটা খালি নেই।চেনা রাদটুকু
একটা হিজাবে বসতে গিয়ে বার বার আমার দিকে তাকাচ্ছিল।
তোমার ছায়াগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
পদচিহ্নগুলি,তোমার হেঁটে আসার শব্দগুলি সব আছে
অবিকল-শুধু একটু ধূলো জমে গেছে এই যা-
আাশ্বিনের যেই রোদটুকু বুকে বিধেছিলো।
শিশুধানে দোল খাওয়া সেই রোদে এতটা দহন তা জানতে
হিজল তলায় বসে আমি গুলতি ছুড়ে তাকিয়ে দেখতাম
রেখাগুলি কিভাবে হারিয়ে যায়।
এখন ছায়া দেখি, আঙুলের স্মৃতি থেকে অবলম্বনের
রেখাগুলি মুছে যেতে যেতে মনে হয় কুয়াশা ভেজা শস্যের মতো
আমাদের স্বপ্নগুলো ফলবতী না হলে সে কষ্ট বয়ে বেড়ানোর
চেয়ে নম্বর লাগানো লাশের ভিড়ে ঘুমিয়ে বিশ্রামে যাওয়ার
মতো প্রশান্তি,চৈতী দুপুরে শোনা ঘুঘুর ডাকেও নেই।
অপেক্ষা
তোমার চলে যাওয়াগুলো কসাইয়ের ছুরি চালানোর মতো
রক্ত পেলেই আন্তঃনগর ট্রেনের গতিতে চলে।
তুমি অপেক্ষার সিঁড়ি ভাংতে ভাংতে আসলেও
তৃষিত চাতকের বৃষ্টিজল অপেক্ষায় রেখে চলে যাও
তোমার অপেক্ষায় কবে আমি নদী হয়ে যাবো,
তোমার হাতে ছোঁয়া কোন ন্যাপকিনের দেখা পেলে উত্তাল হবো
তোমার চুলের অস্তিত্ব টের পেলে আমি উদ্বেলিত হবে
আমি খরস্রোতা মধুমতী আগুনমুখা বা বলেশ্বর হবো
যদি পাখি হই শীতের মৌসুমে মেঘের ওপার থেকে দেখবো
তোমার দীঘল চুলে চিরুনি ছুটছে-তুমি উঠোনে বসে আছো সেই তুমি
একাকীত্বের অগ্নিতাপে যেন
আমি ককেসাস চুড়ায় কোন একজন অপরাধী হবো। প্রতিদিন সূর্যতাপে দগ্ধ হবো
অজস্র ঈগল আমাকে ছিঁড়ে খাবে
তখোনও আমি তোমার অপেক্ষাই করবো